ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬ , ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সাড়ে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় সিগারেট জব্দ, ইউপি সদস্যসহ ৪ জন আটক


আপডেট সময় : ২০২৫-১২-০৭ ২০:২৭:৫৪
রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সাড়ে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় সিগারেট জব্দ, ইউপি সদস্যসহ ৪ জন আটক রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সাড়ে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় সিগারেট জব্দ, ইউপি সদস্যসহ ৪ জন আটক
রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি)

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় সীমান্ত চোরাচালন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিতিঙ্গাছড়ি টিওবি ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা একটি বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ২১ লক্ষ টাকার ভারতীয় সিগারেট, নগদ দেড় লক্ষ টাকা এবং একটি পিকআপসহ ইউপি সদস্যসহ চারজন চোরাকারবারিকে আটক করে।

টিওবি ক্যাম্পের প্রধান চেকপোস্টে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সন্দেহভাজন একটি পিকআপ গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় পাচারের উদ্দেশ্যে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ করা হয়।

জব্দকৃত সিগারেটের মধ্যে রয়েছে—অরিস: ৮কার্টন, পেট্রোন: ১০ কার্টন, বেনসন: ৫ কার্টন, মোট: ২৩ কার্টন বা প্রায় ১০ হাজার প্যাকেট সিগারেট। 
এসব সিগারেটের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

এছাড়াও পিকআপে থাকা নগদ প্রায় এক লক্ষ বত্রিশ হাজার  টাকা জব্দ করা হয় এবং চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—শিমুল দাস (৪৫), বাঙ্গালহালিয়া বাজার,মোঃ সাজ্জাদ ইসলাম (২২), পাথরবন পাড়া,মোঃ মহিবুল হাসান (২৩), শফিপুর এলাকা,রনি তঞ্চঙ্গ্যা (২০), রাজস্থলী বাজার। 
অভিযান শেষে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মর্তুজা সাইফ রাসেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত মালামাল রাজস্থলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে রাজস্থলী থানার এসআই মোঃ হাফিজ বলেন,“বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চারজন আসামি, বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট এবং একটি পিকআপ আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, এ চোরাচালান চক্রের সঙ্গে আরো কিছু ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। কয়েকজনের নাম উঠে এলেও বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে ‘মূল হোতা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

সীমান্ত অঞ্চলের দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে অবৈধভাবে সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্য পাচারের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ কঠোর তৎপরতায় চোরাচালান কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
স্থানীয়রা পাহাড়ি সীমান্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ